করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে জীবনের নিরাপদ চালিকা শক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখছে প্রযুক্তি। করোনা পরবর্তী সময়েও এর আবেদন অব্যাহত থাকবে। গুরুত্ব বাড়বে বৈ কমবে না।
বুধবার (৩ জুন) সোনালী ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা ‘সোনালী ই-সেবা’ এর উদ্বোধনী বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।
সময়, অর্থ ও হয়রানি রোধ করে মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দিতে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক কাজের ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য আইসিটি বিভাগ ২,৭০০ সেবাকে চিহ্নিত করেছে। এরমধ্যে ৬০০ সেবা ইতোমধ্যেই ডিজিটাল হয়েছে।
এসময় ডিজিটাল লেনদেন ও ক্যাশলেস সোসাইটি গড়ে তুলতে আইসিটি বিভাগ নিরন্তর কাজ করছে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
১৫ বছর আগে বিলগেটস বলেছিলেন ব্যাংকিং দরকার হবে, ব্যাংক নয়। সেটাই এখন বাস্তব হতে শুরু করেছে।
জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ইন্টার অপারেবল ডিজিটাল ট্রাঞ্জেকশন সুবিধা চালু করতে বাংলাদেশে ব্যাংকের সঙ্গে আইডিটিপি নামে আরেকটি প্লাটফর্ম গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। আর সফটওয়্যার ইন্টারঅপারেটেবল সুবিধার কারণে এখন সহজেই ডিজিটাল সেবা দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
টেস্টিং, ট্রেসিং ও জোনিং করে ন্যাশনাল ডেটা অ্যানালাইটিকস টাস্কফোর্স (এনডিএটিএফ) করোনার তথ্য-উপাত্ত (ডেটা) বিশ্লেষণ করে সংক্রমণের মাত্রা ও মৃত্যুর হার অনুযায়ী বিভিন্ন এলাকাকে লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করবে।
সোনালী ব্যংকের প্রধান নির্বাহী আতাউর রহমান, পরিচালনা পর্ষদের প্রধান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী, জাতীয় পরিচয় সনাক্তকরণ ডিজিটাল সেবা ‘পরিচয়’ প্রধান নির্বাহী রবিউল আহসান, আইসিটি বিভাগের লিভারেজিং ইর আইসিটি প্রকল্পো উপদেষ্টা সামি আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যে এবছরই ই-ওয়ালেট চালু করা এবং ইতোমধ্যেই এজেন্ট ব্যাংকের অনুমতি প্রাপ্তির কথা জানান সোনালী ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদের প্রধান জিয়াউল হাসান সিদ্দিকী।
অপরদিকে ব্যংকের প্রধান নির্বাহী আতাউর রহমান জানান, দূরত্ব মেনে গ্রহাকদের সেবা দিতে ব্যাংকের নিজস্ব আইটি কর্মীদের নিয়ে তারা যেই অ্যাপ্লিকেশনটি আজ উদ্বোধন করেছেন সেটি দিয়ে ঘরে বসেই গ্রাহকরা ২ মিনিটে হিসাব খুলতে পারবেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাজধানীর বাসাবোর ওহাব কলোনীর একজন বৃদ্ধ মোবাইলেই হিসাব খুলে সোনালী ব্যাংকের এই সোনালী যাত্রার সাক্ষী হন।